মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:০১ অপরাহ্ন
দুপচাঁচিয়ার আপডেট
দুপচাঁচিয়ায় কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান দুপচাঁচিয়ায় ওয়ার্ড পৌর আ’ লীগের সভাপতি সজল বসাকের করোনামুক্তি কামনা দুপচাঁচিয়ার দত্ত চানাচুরখ্যাত হোটেলের সত্ত্বাধিকারী নৃপেন্দ্রনাথ দত্তের পরলোক গমন দুপচাঁচিয়ায় করোনায় ব্যবসায়ী হবিবরের মৃত্যু দুপচাঁচিয়ায় পৃথক দুটি ইউনিয়নে দুঃস্থের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে খুশি ভূমিহীনরা দুপচাঁচিয়ার জিয়ানগরে ১৮২৮ জন দুঃস্থের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় পৃথক অভিযানে ৩ মাদক কারবারী আটক দুপচাঁচিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে ঝলসে গেল শ্রমিকের শরীর দুপচাঁচিয়ায় ইয়াবাসহ আটক ২

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

  • আপডেট টাইম রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১, ৯.৩৩ এএম
  • ৩৯ জন দেখেছেন

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ । ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে  লাখ লাখ জনতার উত্তাল সমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এর মাধ্যমে জনগণকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠে স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণের সব দিকনির্দেশনা।

পরাধীনতা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের মধ্যে শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের ডাকই নিহিত ছিল না, এ ভাষণ আজ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবেও স্বীকৃত।

এবার দিবসটি আরও তাৎপর্য বহন করে। এ বছর ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে পালন হচ্ছে।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। তার এ ভাষণ ছিল জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার চূড়ান্ত নির্দেশনা।

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। ’

এ ভাষণের মধ্যেই স্পষ্ট ছিল পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। পাকিস্তানের শাসন-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু এ ভাষণ দেন।

২০১৭ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকো) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি বিশ্ব ঐতিহ্যের (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্বীকৃতি দেয়।

সেদিন রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাঙালি তা অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করেছে। ওই দিনের পর থেকে পূর্ব পাকিস্তানের সব কিছু চলেছে বঙ্গবন্ধুর কথায়।

৭ মার্চের এ ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণ-পীড়ন থেকে নিজেদের মুক্ত করে স্বাধীনতা অর্জনের সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। পরবর্তিতে ২৫ মার্চের কালোরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওই রাতেই গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themes046465464631
© All rights reserved © 2018-2021 dupchanchianews
Developed by Dupchanchianews.com
error: Content is protected !!