মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৮:১২ অপরাহ্ন
দুপচাঁচিয়ার আপডেট
দুপচাঁচিয়ায় কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান দুপচাঁচিয়ায় ওয়ার্ড পৌর আ’ লীগের সভাপতি সজল বসাকের করোনামুক্তি কামনা দুপচাঁচিয়ার দত্ত চানাচুরখ্যাত হোটেলের সত্ত্বাধিকারী নৃপেন্দ্রনাথ দত্তের পরলোক গমন দুপচাঁচিয়ায় করোনায় ব্যবসায়ী হবিবরের মৃত্যু দুপচাঁচিয়ায় পৃথক দুটি ইউনিয়নে দুঃস্থের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে খুশি ভূমিহীনরা দুপচাঁচিয়ার জিয়ানগরে ১৮২৮ জন দুঃস্থের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ দুপচাঁচিয়ায় পৃথক অভিযানে ৩ মাদক কারবারী আটক দুপচাঁচিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে ঝলসে গেল শ্রমিকের শরীর দুপচাঁচিয়ায় ইয়াবাসহ আটক ২

দুপচাঁচিয়ায় মুদি দোকানী মইনুল শখের বশে কবুতর পালন করে সাবলম্বী

  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ৭.৪৯ পিএম
  • ২৬ জন দেখেছেন

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:
দুপচাঁচিয়ার পৌর এলাকার বম্বুপাড়ার মইনুল হোসেন পেশায় একজন ক্ষুদে মুদি দোকানদার। বর্তমানে দোকানের পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন উন্নত জাতের কবুতরের খামার। শখেই কয়েক জোড়া দেশি কবুতর পুষেছিলেন। পোষার জন্য কবুতর সংগ্রহে গিয়ে অনেক কবুতর পালনকারীদের সাথে পরিচয় হয় তার। তাদের কাছ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে উন্নত জাতের কবুতর পালনে ঝুঁকে পড়েন মইনুল হোসেন।

অনেক লোকজন তার কবুতর খামারের কথা জানতে পেরে পরামর্শের নেওয়ার জন্য ছুটে আসেন তার কাছে। বর্তমানে মইনুল হোসেনের খামারে রয়েছে ককা, লোটন, সিরিজ, বোম্বাইসহ বিভিনś উন্নত জাতের কবুতর।

খামারী মইনুল হোসেন জানায়, দুই বছর আগে শখের বসে ১০ জোড়া দেশি কবুতর কিনে আনেন। কবুতরের দাম ও খাবার খরচ মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে। পরে সেগুলো বিক্রি করে সেই টাকায় উন্নত জাতের কবুতর কিনে আস্তে আস্তে খামারে রুপান্তর করেন। এখন তার ৬৬ জোড়া উনśত জাতের কবুতর রয়েছে। বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী ওই ৬৬ জোড়া কবুতরের দাম ২ লাখ টাকার অধিক।

দুই বছরে ১৫ হাজার টাকার বিনিয়োগের বিনিময়ে মূলধন ২ লাখ টাকার অধিকে পরিনত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মইনুল হোসেন বলেন, শখেই পালন করতাম কবুতর। পরে উন্নতজাতের কবুতর পালনের মধ্য দিয়ে আমি এখন শখ থেকে সাবলম্বী। প্রত্যেক মাসে এখন ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার উন্নত জাতের কবুতর ও কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করতে পারছি।

প্রতিমাসে কবুতরের খাবার ও ঔষুধ বাবদ ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সে হিসাবে বর্তমানে আয় হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। তবে এক থেকে দুইমাস পরে কবুতরের বাচ্চা আরও অধিক জন্মালে প্রতিমাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় হবে। দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার নাছরীন পারভীন বলেন, মইনুল কে অনুসরণ করে সমাজের অনেক বেকার যুবকরা খামার গড়ে তুললে তারাও সহজে সাবলম্বী হতে পারবে। মইনুলের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themes046465464631
© All rights reserved © 2018-2021 dupchanchianews
Developed by Dupchanchianews.com
error: Content is protected !!